proggapath, progga, bangla literature, bangla kobita, bangla golpo, babgla story, romantic golpo, প্রজ্ঞাপাঠ, বাংলা সাহিত্য, কবিতা, বাংলা কবিতা, প্রজ্ঞা, গল্প, বাংলা গল্প, রহস্য গল্প, রম্য রচনা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, শিল্প-সাহিত্য, নাটক, চিঠি, patropanyas, poem, Story, golpo, bangla poem, bangla Story, Rahasya golpo, Rommo Rocona, Articles, Prabandha, Novel, Upanyas, Drama, Natok, Letter, Cithi, Art and literature, silpo-sahityo, জয় দীপ্ত চক্রবর্ত্তী, Joy Dipto Chakraborty, বেঁচে থাকা এক দারুণ বিস্ময়, Bece thaka ek daruṇ bismay

বেঁচে থাকা এক দারুণ বিস্ময়

০ মন্তব্য দর্শক

এই আকাশ ফুঁড়ে ছুটে আসা মধ্য দুপুরের রোদ-
আমার চোখ থেকে সোজা ছুটে যায় মগজের রেলিঙের পথে,
আমার তীব্র যন্ত্রণা যন্ত্রণা বোধহয় হৃদয়ের কার্নিশে,
ভ্যানের ঘূর্ণায়মান চাঁকা দেখে আমি জীবনের কথা ভাবি,
ভাবি গত শীতে ফেলে আসা কিছু সময়ের প্রেম,
অথবা সেই প্রেমের হাত ধরে আমার বিমর্ষ ক্লান্ত মন,
কেমন করে বেঁচে আছি আমি এটাই বড় বিস্ময়!

অথচ এমন বেঁচে থাকার কথা আমার ছিলো না,
এমন নিজের আয়নায় নিজেকে দোষী ভাবতে ভাবতে-
দ্বিধাযুক্ত বায়বীয় জীবনে হেটে চলার কথা আমার ছিলো না!
সুনীলের কবিতায় প্রথম বুঁঝেছি নারীর বুঁকে প্রেম,
আর বুঝেছি সেই প্রেম থেকে আমার হৃদয়ের অকালমৃত্যু,
এসব মনে করতে করতে একটা কুয়াশাজড়ানো ঘ্রাণ পাই,
শিউলিফুলের মতো সুন্দর সে ঘ্রাণ,
যে ঘ্রাণ আমি পেয়েছিলাম সহস্র বছর আগে প্রিয়তম নারীর বুঁকে!

টং দোকানে বসে রাজনীতি পাঠ করতে করতে-
যখন তারা প্রেমের দরজায় গিয়ে নীরবে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে-
আমি সেই শ্বাসের গতি দেখে টের পাই শুধু আমি নই,
আরও হাজারটা প্রাণ মরে গিয়েছে, মরে যাচ্ছে, মরে যাবে,
তারপরও তাদের বেঁচে থাকা এক দারুণ বিস্ময়,
ঠিক যেমন এক ফোঁটা তরল থেকে বিস্ময়ের সহিত পৃথিবীতে আসে পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে এক নবজাতক লাশ!

বেঁচে থাকা এক দারুণ বিস্ময়

দর্শক

এই আকাশ ফুঁড়ে ছুটে আসা মধ্য দুপুরের রোদ-
আমার চোখ থেকে সোজা ছুটে যায় মগজের রেলিঙের পথে,
আমার তীব্র যন্ত্রণা যন্ত্রণা বোধহয় হৃদয়ের কার্নিশে,
ভ্যানের ঘূর্ণায়মান চাঁকা দেখে আমি জীবনের কথা ভাবি,
ভাবি গত শীতে ফেলে আসা কিছু সময়ের প্রেম,
অথবা সেই প্রেমের হাত ধরে আমার বিমর্ষ ক্লান্ত মন,
কেমন করে বেঁচে আছি আমি এটাই বড় বিস্ময়!

অথচ এমন বেঁচে থাকার কথা আমার ছিলো না,
এমন নিজের আয়নায় নিজেকে দোষী ভাবতে ভাবতে-
দ্বিধাযুক্ত বায়বীয় জীবনে হেটে চলার কথা আমার ছিলো না!
সুনীলের কবিতায় প্রথম বুঁঝেছি নারীর বুঁকে প্রেম,
আর বুঝেছি সেই প্রেম থেকে আমার হৃদয়ের অকালমৃত্যু,
এসব মনে করতে করতে একটা কুয়াশাজড়ানো ঘ্রাণ পাই,
শিউলিফুলের মতো সুন্দর সে ঘ্রাণ,
যে ঘ্রাণ আমি পেয়েছিলাম সহস্র বছর আগে প্রিয়তম নারীর বুঁকে!

টং দোকানে বসে রাজনীতি পাঠ করতে করতে-
যখন তারা প্রেমের দরজায় গিয়ে নীরবে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে-
আমি সেই শ্বাসের গতি দেখে টের পাই শুধু আমি নই,
আরও হাজারটা প্রাণ মরে গিয়েছে, মরে যাচ্ছে, মরে যাবে,
তারপরও তাদের বেঁচে থাকা এক দারুণ বিস্ময়,
ঠিক যেমন এক ফোঁটা তরল থেকে বিস্ময়ের সহিত পৃথিবীতে আসে পাপের বোঝা মাথায় নিয়ে এক নবজাতক লাশ!